সমকালীন প্রতিবেদন : প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে হারের পর গুয়াহাটিতে রাজস্থানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স। আশা ছিল সেই ধারা অব্যহত থাকবে মুম্বইয়েও।
কিন্তু নাইট শিবিরের সেই আশায় জল ঢেলে দিলেন মুম্বইয়ের ডেবিউ ম্যান অশ্বিনী কুমার। স্পিনার জালে জড়িয়ে পরাস্ত করলেন একের পর এক নাইট বীরকে। কেকেআর-এর ব্যাটিং লাইনআপকে দেখে বোঝাই যাচ্ছিল না যে তাঁরা গত সিজনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
সোমবার টসের সময় যেভাবে অজিঙ্কা রাহানে বলেছিলেন যে, তিনি পিচের চরিত্র কেমন তা নিয়ে নিশ্চিত নন। অশনি সঙ্কেত দেখা গিয়েছিল তখনই। রাহানে মুম্বইয়ের ছেলে। সেখানেই তাঁর জন্ম। ওয়াংখেড়ে তাঁর ঘরের মাঠ। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি মুম্বইয়ের অধিনায়ক।
সেই রাহানেই বলছেন ওয়াংখেড়ের পিচ বুঝতে পারেননি তিনি। তা হলে বাকি দল কী করে বুঝবে? ফল, ১১৬ রানে শেষ কলকাতার ইনিংস। মুম্বই জয়ের রান তুলে নেয় ৪৩ বল বাকি থাকতেই।
সোমবারের ম্যাচে কলকাতার পরিকল্পনার অভাব ছিল স্পষ্ট। রাহানে পিচ বুঝতে না পারায় দলে দু’জন পেসার রেখেই নেমেছিলেন। ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে মণীশ পাণ্ডেকে নামাতে হয় লজ্জা ঢাকতে।
কিন্তু লজ্জা তো ঢাকেইনি, উল্টে একজন বোলার কমে যায় কেকেআরের। কারণ, মণীশকে নামানোর পরিকল্পনা ছিল না। বল করার সময় বৈভব আরোরাকে হয়তো নামাতো। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। ফল, একজন পেসারের অভাব বোধ করল দল।
মুম্বইয়ের পিচে কেকেআরের প্রধান শক্তি স্পিন সেভাবে দাপট দেখাতে পারল না। নিজেদের শক্তি অনুযায়ী পিচ বানিয়ে সফল মুম্বই। এবারের আইপিএলে প্রথম তিন ম্যাচে দু’টি হার কেকেআরের। পরের ম্যাচ বৃহস্পতিবার। ঘরের মাঠে খেলবে কলকাতা। সেখানে কী পছন্দের পিচ পাবেন রাহানেরা?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন