সমকালীন প্রতিবেদন : সীমান্ত শহর বনগাঁর দুর্গোৎসব এখন অন্য মাত্রা পেয়েছে। করোনার কারণে গত দুবছর ছোট আকারে আয়োজন হলেও এবছর অনেক পুজো কমিটিই বড় বাজেটের পুজোর আয়োজন করছে। আশা করা হচ্ছে, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকলে পুজোর কটা দিন ভিড় উপচে পরবে মন্ডপে মন্ডপে।
আর তাই পুজোর সময় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, দর্শনার্থীরা যাতে মন্ডপের ভেতরে প্রবেশ করে নির্বিঘ্নে প্রতিমা দর্শন করে বেরিয়ে যেতে পারেন, সেব্যাপারে এখন থেকেই তৎপর পুলিশ প্রশাসন। পুজো উদ্যোক্তারা এব্যাপারে কতটা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তা খতিয়ে দেখতে এদিন শহরের বিভিন্ন পুজোমন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।
দিন দুয়েক আগেই বনগাঁ পুলিশ জেলার নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছেন জয়িতা বসু। বৃহস্পতিবার তাঁর নেতৃত্বে জেলা পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকেরা বনগাঁ শহরের বিভিন্ন পুজো মন্ডপ ঘুরে দেখেন। পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তাঁরা কথাও বলেন।
পুজোর দিনগুলি নির্বিঘ্নে কাটাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি কি ব্যবস্থাগ্রহন করা হবে, সেব্যাপারে দুএক দিনের মধ্যেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলবে জেলা প্রশাসন। আর তারপর তা সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিন ১২–র পল্লী, অভিযান সংঘ, গান্ধীপল্লী, প্রতাপগড়, আয়রনগেট ইত্যাদি পুজোগুলির মন্ডপ ঘুরে দেখেন পুলিশ কর্তারা।
এব্যাপারে জেলার নতুন পুলিশ সুপার জয়িতা বসু এদিন জানান, পুজোর দিনগুলিতে বিভিন্ন পুজো মন্ডপে দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রতিমা, মন্ডপসজ্জা দেখতে পারেন, তারজন্য পুজো কমিটিগুলি যথাযথ ব্যবস্থগ্রহন করছে কি না, তা দেখতেই মন্ডপে আসা।
উল্লেখ্য, বনগাঁ শহরের পুজো দেখতে প্রতি বছর উত্তর ২৪ পরগনার জেলার পাশাপাশি অন্যান্য জেলা এমনকি বাংলাদেশ থেকেও প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। আর এই ভিড় সামলাতে পুজোর কটা দিন সারারাত জেগে কর্তব্য পালন করতে হয় পুলিশ সহ প্রশাসন এবং পুরসভার কর্মীদের।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন